Search
Close this search box.

শুক্রবার ঢাকা-চট্টগ্রামে হেফাজতের সন্ত্রাস বিরোধী বিক্ষোভ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print
CTG Hafazat
অাল্লামা আহমদ সফি’র নেতৃত্বে হেফাজতে ইসলামী সভা। ফাইল ছবি।

বিদেশী, অমুসলিম ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের টার্গেট করে ইসলামের নামে গুলশান, শোলাকিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা ও নৃশংস হত্যাকান্ড এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক জুমার খুতবায় অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল করবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

একই সাথে সংগঠনটি বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সন্ত্রাস বিরোধী জাতি গঠন এবং শান্তির ধর্ম ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা সকলের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে, স্কুল-কলেজসহ শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করারও দাবী জানাবে।

হেফাজতে ইসলামের আমীর শায়খুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী বুধবার সন্ধায় এক বিবৃতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে শুক্রবারের সন্ত্রাস বিরোধী শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে শরীক হওয়ার জন্যে দেশের সর্বস্তরের ওলামায়ে কেরাম ও তৌহিদী জনতার প্রতি আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশ থেকে সন্ত্রাস উচ্ছেদ করতে হলে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে ইনসাফ ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, খুন-খারাবি, ধর্ষণ, মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ, ঘুষ, দুর্নীতি, ত্রুটিপূর্ণ বিচার, উন্নয়ন কর্মকান্ডে বৈষম্য, বিভক্তির রাজনীতি এবং ইসলাম ও মুসলিম জাতিসত্ত্বা বিরোধী নানা হস্তক্ষেপ ও দমন-পীড়ন আমাদের জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। দেশে কার্যকর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যে সবার আগে রাষ্ট্রীয় পর্যায় থেকে হুমকি-ধমকি, আইন-আদালত ও বন্দুকের ভয় দেখানোর পরিবর্তে সর্বক্ষেত্রে ন্যায় ও ইনসাফের চর্চা, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, ঘুষ-দুর্নীতি উচ্ছেদসহ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ ও রাজনৈতিক কাদাছোঁড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি ইসলামী চেতনাবোধ ও সংস্কৃতি বিরোধী নানা পদক্ষেপ বন্ধ, ইসলামী শিক্ষাকে সংকোচন করার নীতি পরিহার এবং ধর্মীয় বিষয়ে বাধাদান ও হস্তক্ষেপের প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকার যৌক্তিক সমাধানে না এলে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ভেতরে একটা চাপাক্ষোভ বিরাজমান থেকেই যাচ্ছে। জনমনে বিরাজিত এসব ক্ষোভকে পুঁজি করেই তরুণ-যুবকদেরকে বিভ্রান্ত করে, ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারী চক্র বাংলাদেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করে আমাদের স্বাধীনতা ও জাতিসত্ত্বার পরিচিতিকে ধ্বংস করে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও সম্পদ লুটে নেওয়ার চক্রান্ত উচ্ছেদ করা কঠিন হয়ে যাবে।

হেফাজত আমীর বলেন, সন্ত্রাস ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ। এর সুফল পেতে হলে রাষ্ট্রীয় শক্তি যাদের হাতে, তাদেরকে সর্বস্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। নিজেরা অন্যায়ের মধ্যে ডুবে থেকে কীভাবে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব? তিনি বলেন, সঠিক ইসলামী শিক্ষা ও ধর্মীয় কর্মকান্ডকে তারাই দাবিয়ে রাখতে চায়, যারা অন্যায়-অবিচারে লিপ্ত। কারণ, তারা ভালভাবেই জানেন ও বুঝেন যে, ধার্মিক মানুষ কখনোই অন্যায়-অবিচার ও অধিকার হরণ সহ্য করেন না।

হেফাজত আমীর আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কোন কোন উক্তি আমাদের মধ্যে আশা জাগায়। কিন্তু সরকারী বিভিন্ন দফতরের কর্মকান্ডে আমরা তার বিপরীত চিত্র খুঁজে পাই। এ পর্যায়ে হেফাজত আমীর উদাহরণ দিয়ে বলেন, গত ২৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, ‘জুমার খুতবা নির্ধারণ করা হয়নি’। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকেও একই কথা বলা হয়েছিল। অথচ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরও আমরা পত্রিকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রেরিত খুতবা না পড়ার কারণে ইমাম গ্রেফতার, বরখাস্ত ও নাজেহালের খবর দেখি।

তিনি বলেন, গত ১৯ জুলাই গণভবনের এক অনুষ্ঠানে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সন্তানদেরকে ধর্মীয় শিক্ষা দিন। তারা যাতে সঠিকভাবে ধর্মীয় শিক্ষা পায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা সব ধর্মই শান্তির কথা বলে’। অথচ স্কুল, কলেজ পাঠ্যবই থেকে ইসলামী চেতনাবোধের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক লেখাসমূহ বাদ দিয়ে তদস্থলে নাস্তিক্যবাদ ও হিন্দুত্ববাদের বিষয় সংযোজিত বই পাঠ্যসূচীতে অক্ষুণœ রেখে এবং ধর্মহীন শিক্ষানীতি বহাল রেখে সন্তানদেরকে কীভাবে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া সম্ভব? হেফাজত আমীর প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক দেয়া এই দুটি বক্তব্য যথাযথভাবে কার্যকর করার জন্যে আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে আল্লামা শাহ আহমদ শফী ঢাকা ও চট্টগ্রামে সন্ত্রাস বিরোধী বিক্ষোভ মিছিলের পূর্বঘোষিত ২৯ জুলাইয়ের তারিখ পরিবর্তন প্রসঙ্গে বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সে দিন ঢাকার পুরাতন জেলখানা থেকে কেরানীগঞ্জের নতুন জেলখানায় কয়েদী স্থানান্তরের কারণে কর্মসূচী স্থগিত রাখার জোরালো অনুরোধ আসায় ৫ আগস্ট আমরা নতুন তারিখ পুনঃনির্ধারণ করি।

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে বসার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক বার্তার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি আর আলোচনা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কারপন্থিদের আন্দোলনে উত্তাল দেশ। এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। তারই মধ্যে ধানমনণ্ডির রাপা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি সরকার বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে তিনি