Search
Close this search box.

‘হৃদয় আজ আনন্দে ভরপুর, রওশন আমার পাশে’

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টিতে দুর্যোগের ঘনঘটা ছিল। আজ তা কেটে গেছে। আমার হৃদয় আজ আনন্দে ভরপুর। রওশন আমার পাশে।’

মে দিবস উপলক্ষে জাতীয় শ্রমিক পার্টি আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে এরশাদ এ কথা বলেন। রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ বলেন, দেশে প্রতিদিন খুন হচ্ছে মানুষ। সরকারের পক্ষে কি সব মানুষের ঘরে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব? সম্ভব নয়। তাই সব দলকে একসঙ্গে বসতে হবে এই বালা-মুসিবত দূর করতে। মানুষ পরিবর্তন চায়, তবে বিএনপিকে নয়, জাতীয় পার্টিকে চায়।
এ সময় মঞ্চে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ও দলের জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ, কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের হাত উঁচু করে এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টি এখন ঐক্যবদ্ধ থাকবে, একসঙ্গে থাকবে। আজ থেকে আমাদের নতুন যাত্রা শুরু। এই যাত্রা ক্ষমতায় যাওয়ার, খুন-জখম বন্ধ হওয়ার। জীবনের শেষপ্রান্তে এসেছি, তাই জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় আনতে চাই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রওশন এরশাদ সমাবেশে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যদি মত দেন তাহলে আমি সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান থাকব। যদি না দেন তাহলে আমি থাকব না।’
শ্রমিকদের বেতন ন্যূনতম ১৮ হাজার টাকা দাবি করে রওশন এরশাদ বলেন, বিপথগামী মানুষ আজ খুন-রাহাজানি করছে। কারণ তাদের কর্মসংস্থান নেই।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জিএম কাদের, দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ, সাংসদ আবু হোসেন বাবলা, স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা।

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তাদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে বসার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক বার্তার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি আর আলোচনা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কারপন্থিদের আন্দোলনে উত্তাল দেশ। এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। তারই মধ্যে ধানমনণ্ডির রাপা