Search
Close this search box.

১০ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড : হাইকোর্টের রায় ২৮ জুলাই

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print
photo-1469011558
ফাইল ছবি, সুপ্রীম কোর্ট।

গাজীপুর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বোমা হামলার ঘটনায় জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ সদস্যের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন), আপিল ও জেল আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২৮ জুলাই এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করা হবে।

আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ  শুনানি শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর।

আসামিদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার গোলাম নবী, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম, সাবেক বিচারপতি অ্যাডভোকেট দেলাওয়ার হোসেন ও অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন মোল্লা।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবীর এ বিষয়ে বলেন, ‘গাজীপুর আইনজীবী সমিতিতে হামলার ঘটনায় নিম্ন আদালত ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল। আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর আজ শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ২৮ জুলাই রায় ঘোষণা করা হবে। ১০ জেএমবি সদস্য গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১০ জন হলেন এনায়েত উল্লাহ ওরফে ওয়ালিদ ওরফে জুয়েল, আরিফুর রহমান ওরফে আকাশ ওরফে হাসিব, মসিদুল ইসলাম মাসুদ ওরফে ভুট্টো, সাইদুর মুন্সী ওরফে শহীদুল মুন্সী ওরফে ইমন ওরফে পলাশ, আবদুল্লাহ আল সোহাইন ওরফে যায়িদ ওরফে আকাশ, নিজাম উদ্দিন রেজা ওরফে রনি ওরফে কচি, তৈয়বুর রহমান ওরফে হাসান, মো. আশরাফুল ইসলাম ওরফে আরসাদ ওরফে আব্বাস খান, মো.সফিউল্লাহ ওরফে তারেক ওরফে আবুল কালাম ও আদনান সামী ওরফে আম্মার ওরফে জাহাঙ্গীর।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৯ নভেম্বর গাজীপুর আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার আইনজীবী আমজাদ হোসেন, গোলাম ফারুক, নুরুল হুদা ও আনোয়ারুল আজিমসহ মোট আটজন নিহত হন। হামলাকারী আসাদ ওরফে জিয়া নিজেও নিহত হন।

এ ঘটনায় প্রথম পর্যায়ে জেএমবি নেতা শায়খ আবদুর রহমান ও আতাউর রহমান সানীকে আসামি করে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে ২০০৭ সালের ৪ জুলাই পুলিশ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একই সঙ্গে শায়খ আবদুর রহমান ও আতাউর রহমান সানীর অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ২০ জুন শুনানি শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪-এর বিচারক মো. মোতাহার হোসেন ১০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেন। নিম্ন আদালতের এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল ও জেল আপিল দায়ের করেন আসামিরা।

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তাদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে বসার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক বার্তার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি আর আলোচনা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কারপন্থিদের আন্দোলনে উত্তাল দেশ। এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। তারই মধ্যে ধানমনণ্ডির রাপা