Search
Close this search box.

বিএএফ শাহীন অতিরিক্ত বর্ধিত বেতন ও সেশন ফি আদায়ের অভিযোগ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print
????????????????????????????????????
বিএএফ শাহীন কলেজে অতিরিক্ত বেতন ও সেশন ফি আদায়ের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন অভিভাবক ফোরামের আহবায়ক সাখাওয়াত কামাল সাগর।

সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে বছরের মাঝমাঝি সময়ে হঠাৎ করে নগরীর বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থীদের বেতনসহ অন্যান্য ফি বাড়িয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এনিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে গত দুই মাস যাবত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

এনিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষকে শোকজ্ব করা হলেও কর্তৃপক্ষ তাদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। ফলে অভিভাবকরা সংবাদ সম্মেলনসহ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হন।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অভিভাবক ফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত বেতন আদায়ের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা অতিরিক্ত বেতন আদায় বন্ধ এবং সরকারি নিয়ম মত শিক্ষার্থীদের বেতন নির্ধারণের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানিয়েছে। অন্যথায় তারা আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা করার হুমকি দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিভাবক ফোরামের আহবায়ক শাখাওয়াত কামাল সাগর।

তিনি বলেন, চলতি বছরের মে মাসে কলেজ কর্তৃপক্ষ হঠাৎকরে বেতনবৃদ্ধি, সেশন ফির নামে অবৈধভাবে টাকা আদায় করার জন্য শিক্ষার্থীদের ক্লাসে জানায় এতে প্রায় তিনহাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন বিঘ্নত হয়ে পড়েছে।”

তিনি বলেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ শ্রেণী শিক্ষকদের মাধ্যমে ক্লাসে ক্লাসে জানিয়ে দেয় যে, বাংলা মাধ্যমের বেতন ৯৮০/- টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৮০/- টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে সেসন ফি ২২০০/- টাকা থেকে ৫০০০/- টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ইংরেজী মাধ্যমের বেতন ১৩২০/- টাকা থেকে ২১১৫/- টাকা ও সেশন ফি ২৫০০/- টাকা থেকে ৬০০০/- টাকা করা হয়েছে। এতে অধিকাংশ মাধ্যবিত্ত, নিম্মমধ্যবিত্ত অভিভাবকরা দিশেহারা হয়ে পড়ে এবং বেতন কমানোর জন্য অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাছে গেলে তিনি অনেককেই চরমভাবে অপমানিত করেন। তিনি বলেন, বেতন দিতে না পারলে ছাত্র-ছাত্রীকে কলেজ থেকে নিয়ে যেতে হবে।

13680145_10210202157589904_6177316620871108617_o
অতিরিক্ত বেতন ও আনুসাঙ্গিক ফি’র প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন একজন অভিভাবক।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, এই কলেজে কোন ছাত্র-ছাত্রী পূর্ব অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে ১ দিনের জন্য ১০০ টাকা জরিমানা মাসের ১৫ দিনের মধ্যে বেতন দিতে না পারলে পরবর্তী মাসে ১০০ টাকা জরিমানা এবং পর পর দুইমাস বেতন বকেয়া থাকলে পুরো একমাসের বেতন জরিমানা দিতে হয়। বাংলাদেশের আর কোন কলেজে এমন অন্যায়ভাবে টাকা আদায়ের নজির আছে কিনা আমাদের জানা নাই। তাছাড়াও ঊফঁ ঝসধৎঃ, সহ নানা অজুহাতে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে প্রতি মাসেই অন্যায়ভাবে টাকা আদায়ের ঘটনা ঘটে ।

আমাদের জানা মতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উদ্যোগে কলেজের যাবতীয় ব্যায় নির্বাহ করা হয়। ফলে বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকারের সবার জন্য শিক্ষা কর্মসূচী ও স্কুল কলেজে নূত্যতম বেতন নির্ধারনের যে অঙ্গীকার শাহীন কলেজের বেতন ও সেশন ফির নামে অবৈধ টাকা আদায় তার পরিপন্থী। এইখানে উল্লেখ করতে চাই যে বিএএফ শাহীন কলেজ সরকারি এমপিও ভূক্ত একটি প্রতিষ্ঠান।

অভিভাবকরা বলেন, আমরা এব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে বারবার অনুরোধ করলেও অভিভাবকদের অপমান ও লাঞ্চনা ছাড়া অধ্যক্ষের কাছ থেকে কিছুই মেলেনি। তাই আমরা মাননীয় মেয়র ও সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়কে এবিষয়ে আবহিত করেছি। মাননীয় জেলা প্রশাসক ও এডিসি শিক্ষা মহোদয়ের সাথে আমরা বার বার দেখা করে সমস্যার কথা জানিয়েছি। গত ১৪ জুলাই জেলা প্রশাসক মহোদয় অধ্যক্ষ সাহেবকে অবৈধ সেশন ফি আদায় ও অতিরিক্ত বেতন বাড়ানোর বিষয় কারন দর্শানোর পত্র দিলেও এ ব্যাপারে অধ্যক্ষা সাহেব ও কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। বরং অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে অপমানিত করছেন কলেজ ছেড়ে চলে যেতে বলছেন।

এমতাবস্তায় আমরা  প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী, বিমান বাহিনী প্রধান, জেলা প্রশাসক, কলেজ কর্তৃপক্ষ সহ সকলের কাছে আমাদের সন্তানদের ন্যায্য বেতনে পড়ার অধিকার নিশ্চিত করার বিনীত অনুরোধ জানাই।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এস.এম বাবুল হাসনাত, কাজল কান্তি লোধ, হুমায়ুন কবির, শফিউল আলম, মজিদুল আলম, সেকান্দর আজম, মো: সেলিম সহ শতাধিক অভিভাবক।

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কারপন্থিদের আন্দোলনে উত্তাল দেশ। এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। তারই মধ্যে ধানমনণ্ডির রাপা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি সরকার বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সাংবাদিকদের প্রশ্নে উত্তরে তিনি

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

চলমান কোটা আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ও দেশের বিভিন্ন জায়গায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সারা দেশে চলছে