ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

নাশকতায় মামলাও ডা. শাহাদাতের রিমান্ড মঞ্জুর করেনি আদালত

.

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

ফাইল ছবি।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনকে রিমান্ডে নেয়ার পুলিশেী আবেদন মঞ্জুর করেনি আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) চট্টগ্রামের মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন ভার্চুয়াল আদালতে রিমান্ড আবেন না মঞ্জুরি করেন।। এর আগে গত ৩১ মার্চ চকবাজার থানায় দায়ের হওয়া চাঁদাবাজির মামলায়ও  ডা. শাহাদাত হোসেনকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে পায়নি।

আসামিদের আইনজীবী বদরুল আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, করোনার কারণে আসামিদের কারাগারে রেখেই আমরা ভার্চুয়ালি শুনানি করেছি। আদালত শাহাদাত হোসেনের রিমান্ড আবেদন না করলেও অন্য দুজনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ডা. শাহাদাতসহ মামলায় গ্রেপ্তার মো. বেলাল উদ্দিন (২০) ও ইমাম হোসেন আবিরের (২৮) সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। রিমান্ড শুনানিতে ভার্চুয়াল আদালতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অংশ নেন ডা. শাহাদাত ও অন্যরা।

গত ২৯ মার্চ দুপুর তিনটা থেকে মোদিবিরোধী বিক্ষোভে হেফাজত-পুলিশ সংঘর্ষের প্রতিবাদে বিএনপি যে কর্মসূচি দিয়েছে তা পালন করতে এসে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছিল বিএনপি। এসময় ককটেলবাজি, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি পুলিশের ওপরও হামলার অভিযোগ রয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। তাদের হামলা থেকে বাদ যায়নি পুলিশ বক্স, পুলিশের নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত ঢাল ও স্বয়ং পুলিশ সদস্যরাও। হামলার পর নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাতসহ ১৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওই দিন গভীর রাতে সংঘর্ষের ঘটনায় দু’টি মামলা দায়ের করে পুলিশ। একটি কোতোয়ালী থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অন্যটি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে। প্রত্যেক মামলাতেই নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ জেলার আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ও নগর কমিটির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, নগর যুবদলের সভাপতি-সেক্রেটারি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি-সেক্রেটারি, ছাত্রদলের সভাপতি-সেক্রেটারিসহ নগর বিএনপির শীর্ষ ৫৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে ট্রাফিকের পুলিশ বক্সে হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় নাসিমন ভবন থেকে গ্রেপ্তার ১৫ জনকে আসামি না করায় সেই মামলায় এজহার নামীয় আসামি করা হয়েছে ৪৩ জনকে।

অন্যদিকে নগর বিএনপির মহিলা বিষয়ক সহ-সম্পাদক ডা. লুসি খান সিটি নির্বাচনের সময় কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছেন দাবি করে নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেছিলেন চকবাজার থানায়। সেই মামলায় বর্তমানে কারাগারে আছেন ডা. শাহাদাত। তাকে কোতোয়ালীর দুই মামলাও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নাশকতার এক মামলায় তার রিমান্ড শুনানি হয়েছিল।

সর্বশেষ

হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু

মিরসরাইয়ে কৃষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: বিস্ফোরক আইনের মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

হালিশহরে ঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ নয়জন দগ্ধ

প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কোতোয়ালীতে মিছিলের চেষ্টাকালে আওয়ামী লীগের আটজন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print