ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

এখনো জ্বলছে এস আলম সুগার মিল

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

প্রায় ২৪ ঘন্টা হতে চললেও চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন সুগার রিফাইনারী কারখানায় সৃষ্ট আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

চিনির কাঁচামালগুলো দাহ্য পদার্থ হওয়ায় সেগুলো না সরানো পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস কৃর্তপক্ষ। এছাড়া আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে দুই থেকে তিনদিন লেগে যেতে পারে বলে ধারাণা করছে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।

সোমবার মধ্যরাতে আগুন নিয়ন্ত্রণের কথা জানায় ফায়ার সার্ভিস। কিন্তু আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে সুগার মিলের ভীতরে আগুন আবার দাউ দাউ করে জ্বলে উঠেছে। ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে চরলক্ষ্যা এলাকায় এস আলম সুগার মিলের অগ্নিকাণ্ড পরিদর্শনে এসে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আবদুর রাজ্জাক বলেন, চিনির কাঁচামালগুলো দাহ্য পদার্থ হওয়ায় আগুন নিভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। সম্পূর্ণ আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে আরো ২ দিন সময় লাগতে পারে।

.

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা বলেন, গোডাউনের ভেতরে ১২০০ থেকে ১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আগুন জ্বলছে। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঢুকতে পারছেন না, কারণ আগুনের তাপমাত্রা বেশি।

এর আগে সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের এই চিনিকলের একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শুরুতে দুটি ইউনিট, পরে আরো ৫টি ইউনিটসহ মোট ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবু আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় যুক্ত হয় আরো ৭টি ইউনিট। সবমিলিয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৪ টি ইউনিট কাজ করে। রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস।

এদিকে, আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৪ ইউনিটের সঙ্গে কাজ করেছিল সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী সদস্যরা। তবে সকালে আগুন নেভাতে দেখা গেছে শুধু ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের। এছাড়া, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বেশ কিছু ইউনিট স্টেশনে ফিরে গেছে। বর্তমানে সাতটি ইউনিট কাজ করছে।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের পাওয়ার প্লান্টের সহকারী ফিটার মনির জানান, ওই গুদামে প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। এগুলো পুড়ে গেছে। কাছেই পরিশোধিত চিনি আছে আরও কয়েক লাখ টন।

এদিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে সোমবার রাতেই ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সার্বিক ও ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনার আনোয়ার পাশা এ কমিটি গঠন করেছেন।

সর্বশেষ

হালিশহরে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু

মিরসরাইয়ে কৃষকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

পিলখানা হত্যাকাণ্ড: বিস্ফোরক আইনের মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

হালিশহরে ঘরে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ নয়জন দগ্ধ

প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

কোতোয়ালীতে মিছিলের চেষ্টাকালে আওয়ামী লীগের আটজন গ্রেপ্তার

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদ

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print