Search
Close this search box.

কাপ্তাই হ্রদে ভবন ধসে পড়ার ঘটনায় নিহতের সংখ্য ৫

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print
r-11
রাতভর চলে উদ্ধার কাজ।

রাঙামাটি শহরের কাপ্তাই হ্রদে সরকারি মহিলা কলেজ সড়কে দ্বিতল ভবন ধসে পড়ে নিহতের সংখ্যা ৫ জনে দাড়িয়েছে। এর মধ্যে উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে ৩ শিশু এক নারী ও একজন পুরুষ সদস্য।

নিহতরা হলেন জাহিদ হোসেন (৪০), উম্মে হাবিবা (২২), পিংকি (১৩), সামিদুল (০৭), সাজিদুল (১০)। এদের মধ্যে জাহিদ ও পিংকি পিতা ও কন্যা।

দুর্ঘটনার পর প্রায় ১৪ ঘন্টা তল্লাশী শেষে আজ বুধবার সকাল ৮টার দিকে সেনা বাহিনী ফায়ার সার্ভিস, ডুবুরী দলসহ উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া সকলে উদ্ধার কাজ সমাপ্তি ঘোষণা দেন।

এদিকে ভবনটির মালিক নঈম উদ্দিন টিটুর বিরুদ্ধে প্রশাসন বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে। জেলা প্রশাসনে উদ্যোগে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।

উদ্ধার কাজে যোগ দেয়া ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগীয়  উপ-সহকারী পরিচালক ও ৩০ সদস্যের দল নেতা মু. জসিম উদ্দিন পাঠক ডট নিউজকে জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টা পর্যন্ত উদ্ধার কাজ করে মোট ৪ জনকে উদ্ধার করার সম্ভব হয়। পরে নিঁখোজ আরো একজন শিশুকে রাতভর উদ্ধার কাজ পরিচালনার পরে মধ্য রাতে সে শিশুর লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

পানিতে আর কোন লাশ নেই এবং কেউ নিখোঁজ নেই বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

195037rangamati-2_kalerkantho_pic
কাপ্তাই হ্রদের পাড়ের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত এ ভবনটি ধসে পড়ে।

উল্লেখ্য- মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে মহিলা কলেজ সড়কের হ্রদের পাড়ে দিকে অবস্থিত নঈম উদ্দিন টিটু নামের এক ঠিকাদারের মালিকানাধীন দ্বিতল ভবনটি ডেবে যেতে শুরু করে। মাত্র ১০ মিনিট সময়ের মধ্যে ভবনটির নিচতলা পুরোই ডেবে যায়। এসময় ভবনের দুটি ফ্লোরে অন্তত চারটি পরিবার আটকে পড়ে।

ধসে পড়া ভবনের বাসিন্দা ও উদ্ধার হওয়ার এক নারী জানিয়েছেন, বিকাল থেকেই ভবনটির সড়কের পাশের মাটি সরছিলো এবং ভবনটি ধীরে ধীরে হেলে পড়তে শুরু করে। কিন্তু হঠাৎ বিকট শব্দে ভবনটি মূল ভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করে।

কাপ্তাই হ্রদের পানি বৃদ্ধির কারণে এবং হ্রদের পাড়ের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে নির্মিত অসংখ্য স্থাপনার কারণে এইসব ভবন সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু কখনই রাজনৈতিক কারণে এসব স্থাপনার বিরুদ্ধে নেয়া হয় না কোন পদক্ষেপ। যে ভবনটি ধসে পড়েছে, সেই ভবনটির প্রায় সবগুলো ভিতই কাপ্তাই হ্রদের জলের মধ্যেই অবস্থিত।

এই ঘটনা তদন্তর জন্য রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করেন। কমিটির সদস্যরা হলেন, হলেন রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট মোয়াজ্জেম হোসেন, পৌরসভার নিবার্হী প্রকৌশলি, গণপূর্তলয়ের নিবার্হী প্রকৌশলী। এদেরকে আগামী বিশ কর্মকালিন সময়ের মধ্যে তদন্তর রির্পোট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপর দিকে রাঙামাটির পুলিশের সূত্রে জানা যায় পুলিশ ভবনের মালিক বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

রাতেভর জেনারেটর চালিয়ে উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয় ফায়ারব্রিগ্রেড, নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী, রেড ক্রিসেন্ট সদস্যরা। তাদের সাথে স্থানীয়রাও অংশ নেন। মধ্য রাতে শিশু সাজিদুলের লাশ উদ্ধারের পরে সমাপ্ত হয় উদ্ধার কাজ বলে জানিয়েছেন ফায়ার ব্রিগ্রেড উপ-পরিচালক গোলাম মোস্তাফা।

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি নন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা। তাদের প্ল্যাটফর্ম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই)

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সাথে বসার বিষয়ে সরকারের ইতিবাচক বার্তার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, গুলি আর আলোচনা

জাতীয়

১৮ জুলা ২০২৪

কোটা সংস্কারপন্থিদের আন্দোলনে উত্তাল দেশ। এরইমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে চলছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া। তারই মধ্যে ধানমনণ্ডির রাপা