ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

সৎকারে বাধা দেওয়ায় শশ্মানে বিক্ষোভ

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

.

করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত যুবকের দেহ সৎকারে বাধা দিল গ্রামবাসী। ফলে দেহ বাড়িতেই পড়ে রইল প্রায় ২১ ঘণ্টা। এমনই অমানবিক দৃশ্যের সাক্ষী হল ভারতের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাটের উত্তর জিয়াদা গ্রাম।

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, গত কয়েক দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন জিয়াদার বাসিন্দা চন্দন সামন্ত (৪২)। বাড়িতেই চলছিল তার চিকিৎসা। এরমধ্যে স্বাস্থ্যকর্মীরা তার বাড়িতে গিয়ে কোভিড পরীক্ষা করাতে চাইলেও বাধা দেন তার পরিবারের সদস্যরা।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে মৃত্যু হয় চন্দনের। স্থানীয় শ্মশানে চন্দনের দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যাওয়ার কথা উঠতেই সাহায্য করতে আপত্তি জানান এলাকাবাসীদের একাংশ। তাদের দাবি, চন্দন মারা গেছে করোনাতেই। তাই কেউই তার দেহ সৎকারে যাবেন না। স্থানীয় শ্মশানে চন্দনের দেহ সৎকার করতেও বাধা দেন তারা। দিনভর মৃতদেহ নিয়ে চলে টানাপড়েন।

খবর পেয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে স্থানীয় প্রশাসন। তাদের প্রচেষ্টায় প্রায় ২১ ঘণ্টা পর রাত দেড়টার দিকে অন্য একটি শ্মশানে চন্দনের দেহ সৎকার করা হয়। মৃতের পরিবারের সদস্যদেরও কোভিড পরীক্ষায় উদ্যোগী হয় প্রশাসন।

কোলাঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি রাজকুমার কুন্ডু বলেন, ‘পিপিই কিট দিয়ে দেহ ঢাকা হয়। দেহ সৎকার করতে যারা গিয়েছিলেন তাদেরও পিপিই কিট দেওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও স্থানীয় বাসিন্দারা ওই দেহ স্থানীয় শ্মশানে সৎকার করতে বাঁধা দেন। শ্মশানে বহু লোক জড়ো হয়ে বিক্ষোভও দেখান। পরে, অবস্থা বেগতিক দেখে প্রশাসনের সাহায্যে দেহটিকে কোলাঘাটের অন্য একটি শ্মশানে সৎকার করা হয়।’

সর্বশেষ

চট্টগ্রামের শীর্ষ ছিনতাইকারী শাফায়েত গ্রেপ্তার

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

আগ্রাবাদ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহত

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

সীতাকুণ্ডে শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো জাহাজ সেন্ট্রাল স্টার

সীতাকুণ্ডে গুদামের চালা ভেঙে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print