ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০ আসনে ভোট জালিয়াতি এবং অনিয়মের অভিযোগ দিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল।
আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ১১টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রবেশ করেন তারা।
এর আগে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ৩০টি আসনে ভোট সংক্রান্ত অভিযোগ তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা প্রায় ৩০টি আসনে চরম অব্যবস্থাপনা দেখেছি। যেখানে ভোট জালিয়াতি হয়েছে, কারচুপি হয়েছে। ফলাফলের যে সমস্ত কাগজগুলো তাঁরা দিয়েছেন সেখানে ওভার রাইটিং হয়েছে, ঘষামাজা হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা হয়েছে।’
যে আসনগুলো নিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে সেগুলো উল্লেখ করেন দলের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। তিনি বলেন, আসনগুলোর মধ্যে রয়েছে— পঞ্চগড়-১, ঠাকুরগাঁও-২; দিনাজপুর-৩; দিনাজপুর-৫; লালমনিরহাট-১; লালমনিরহাট-২; গাইবান্ধা-৪; বগুড়া-২ ; বগুড়া-৩; সিরাজগঞ্জ-১; যশোর-৩; খুলনা-৩ এবং খুলনা-৫।
তালিকায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, বরগুনা-১; বরগুনা-২; ঝালকাঠি-১; পিরোজপুর-২; ময়মনসিংহ-৬; ময়মনসিংহ-৮; ময়মনসিংহ-১০ এবং কিশোরগঞ্জ-৩।
আর ঢাকার আসনগুলোর মধ্যে ঢাকা-৬; ঢাকা-৮; ঢাকা-১০; ঢাকা-১৩—যেটি মামুনুল হকের আসন এবং ঢাকা-১৭।
হেলাল আরও বলেন, ‘এ ছাড়া গোপালগঞ্জ-২; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২; চাঁদপুর-৪; চট্টগ্রাম-১৪—এটি অলি আহমেদের ছেলের, যেখানে প্রায় ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর ঘষামাজা করে তাঁকে পরাজিত করা হয়েছে এবং কক্সবাজার-৪।’
হেলাল বলেন, ‘আমাদের সেক্রেটারি জেনারেলের আসনসহ প্রতিটি আসন থেকে আমরা নিশ্চিত বিজয়ের বার্তা পাচ্ছিলাম, কিন্তু সেগুলোকে এই প্রক্রিয়ায় ভিন্নভাবে নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি পুনর্গণনা হলে এগুলো ফিরে আসবে।’
আজ ইসিতে এসব আসনের কথা তুলে ধরা হবে জানিয়েছে ১১ দলীয় জোট।
