t ছাত্রদল নেতা নুরু হত্যা: পুলিশসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ – পাঠক নিউজ

ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

ছাত্রদল নেতা নুরু হত্যা: পুলিশসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

.

চট্টগ্রামে পুলিশ পরিচয়ে বাসা থেকে আটক করে নিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরুকে পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগে রাউজানের থানার এক এসআইসহ ১৩ চিহিৃত সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

নুরু হত্যাকাণ্ডের ১২দিন পর আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মাসুদ পারভেজের আদালতে নিহত নুরু’র স্ত্রী সুমি আক্তার এ অভিযোগ দায়ের করেন।

আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে এ হত্যার ব্যাপারে রাউজান এবং নগরীর অন্য কোন থানায় মামলা হয়েছে কিনা তা আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার ও সিএমপি কমিশনারের প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।

এবং ঐ তারিখে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ বিষয়ে শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।

আদালত প্রাঙ্গন থেকে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনবি’র নির্বাহি কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

.

নুরুকে হত্যার দায়ে যাদের নাম অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন-রাউজান থানার নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শেখ মোহাম্মদ জাবেদ ও রাউজানের সরকার দলীয় সন্ত্রাসী বাবুল মেম্বার, খালেক মেম্বার, জসিম, সেকান্দর, নাসের প্রকাশ টাইগার নাসের, এমরান, মোহাম্মদ হাসান, নুরুল ইসলাম, লিটন, মেহেদি হাসান, ভূপেষ বড়ুয়া ও রব্বানী।

বাদী পক্ষের আইনজীবি এনামুল হক জানান, বাদীনি সুষ্ঠু বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় থানায় কোন মামলা দায়ের করেননি। তাই তিনি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রাথনা করে অভিযোগ দায়ের করেছে। আমরা জেনেছি। ইতোমধ্যে রাউজান থানা পুলিশ আজ্ঞাতদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করলেও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন তারা এ মামলার তদন্ত করবেন না। এতে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং পুলিশের ভুমিকা নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় আদালতের আশ্রয় নেয়া হয়েছে।

আদালত যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আমরা বাদী পক্ষ তাতে সন্তোষ্ট।

উল্লেখ্ গতয ২৯ এপ্রিল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার গনি বেকারী এলাকার বাসা থেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক নূরুল আলম নূরুকে আটক করে নিয়ে যায় ৮/১০ জন সাদাপোষাকের লোক। পরদিন বৃহস্পতিবার বিকালে জেলার রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের খেয়াঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে নুরুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 নিহত নুরুর বাড়ি রাউজান উপজেলার গুজরা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কমলার দীঘিরপাড় এলাকায়। নুরু উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেফায়েত উল্লাহ জানিয়েছিলেন, তার মাথায় গুলির চিহ্ন আছে। সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। হাত-পা রশি দিয়ে বাঁধা। তার পরনে ছিল লুঙ্গি। শার্ট দিয়ে চোখ বাঁধা। মুখের ভেতর ওড়না ঢোকানো অবস্থায় পাওয়া গেছে।

 

সর্বশেষ

চকবাজারের কুটুমবাড়িকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা

বাকলিয়া এক্সেস রোড়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবদল কর্মী নিহত : আহত ১০

ঘূর্ণিঝড় মোন্থা’র প্রভাবে সারাদেশে ৫ দিন বৃষ্টি হতে পারে

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক প্রদীপ দাশকে গ্রেপ্তার

মৃত্যুপুরী রাউজান : ১৩ মাসে ১৬ খুন

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print