ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

মুছার খোঁজে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান তার পরিবারের

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

Misa Panna Aktar
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার।

এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুর হত্যার নির্দেশদাতা কামরুল সিকদার ওরফে মুছাকে পুলিশ ধরে নেয়ার পর থেকে নিখোাঁজ রয়েছেন বলে দাবী করেছেন তার পরিবার। গত ১২ দিন ধরে তার কোনো খোঁজ পাচ্ছে না পরিবার।

রবিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে কয়েকটি ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সাংবাদিকদের দেয়া সাক্ষাতকালে মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার এ অভিযোগ করেন। নিজের দুই সন্তানদের নিয়ে প্রেসক্লাবে এসে পান্না কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি তার স্বামীর খোঁজ পেতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চান।

CTG PIC-Musa - Copy
পরিবারের দাবী ২২ জুন পুলিশ মুছাকে আটক কওের নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ।

সাংবাদিকদের পান্না আক্তার বলেন, গত ২২ জুন সকালে বন্দর থানা এলাকার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন সেলিমের নেতৃত্বে মুছাকে আটক করা হয়। আটকের সময় মুছাকে ছেড়ে দেওয়া হবে এমন আশ্বাসের কথা জানান সাদা পোশাকে আসা পুলিশ সদস্যরা। এরপর রাঙ্গুনিয়া থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নেন নিখোঁজ মুছার পরিবার। কিন্তু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা মুছাকে আটকের কথা স্বীকার করছেন না।

পান্না আকতার বলেন, ‘আমার সামনে গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয় দিয়ে আমার স্বামীকে তুলে নেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার ভাসুর ও স্বামী মুছাকে নিয়ে যায়। ১০ দিন পর ভাসুরকে গ্রেফতারের কথা স্বীকার করলেও আমার স্বামীর কোনো খোঁজ নেই। কেউ বলছে মেরে ফেলেছে। গতকাল একটি পত্রিকায় দেখলাম লেখা হয়েছে মুছা প্রশাসনের দায়িত্বে তাদের কাছে আছে। গোয়েন্দা বিভাগে নাকি জানা গেছে। আমি আমার স্বামীকে জীবিত দেখতে চাই। ফেরত পেতে চাই। দোষ করলে আইন আছে, আদালত আছে তাদের মাধ্যমে তোলা হোক।’

BABUL-03
বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যার ছবি।

পান্না আকতার অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে সিএমপি’র বন্দর থানার ওসি মহিউদ্দিন সেলিম বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। আমি মামলার আইও না এবং মামলা বাদিও না। আমি কেন তাকে আটক করবো ? এক প্রশ্নের সেলিম বলেন, মুছার বউ যে আমার কথা বলছে সে কি আমাকে চিনে?

এদিকে মিতু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন মুছাসহ পাঁচ ব্যক্তি যাতে দেশ ত্যাগ করতে না পারে সে জন্য ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট ও সীমান্ত সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। বাকি চারজন হলেন রাশেদ, নবী, শাহজাহান ও কালু।

উল্লেখ্য গত ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় নগরীর জিইসি মোড়ে দুর্বৃত্তরা মিতুকে গুলি করে ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এ ঘটনায় মিতুর স্বামী এসপি বাবুল আক্তার বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে জড়িত আটজনকে শনাক্ত করা গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৩০ সন্ত্রাসীর প্রবেশ-অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমন করা যাবে না: তারেক রহমান

বোয়ালখালীতে অস্ত্রসহ আপন দুই ভাই গ্রেফতার

ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

দক্ষিণ হালিশহর বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান এর বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ

শ্বশুর বাড়ীর অত্যাচার সইতে না পেরে সন্তান নিয়ে গৃহবধূর খালে ঝাপ,শিশুর মৃত্যু

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print