ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

ভোট জালিয়াতির মামলা, নির্বাচন কমিশন জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে: ডা. শাহাদাত

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

.

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক ডা.শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইবুনাল আদালত নির্বাচনী মামলায় সমন জারি হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন জবাব দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকার একটি একদলীয় সরকার। এই সরকারের আমলে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়নি। প্রতিটি নির্বাচনেই একদলীয় ভাবে ভোট ডাকাতি করেছে সরকার। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট ডাকাতির, চসিক নির্বাচনে ভোট কারচুপি, ভোটের ব্যাপক অনিয়ম ও ইভিএম রেজাল্ট শীট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ অসংখ্য। বিগত মেয়র নির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশন একাকার হয়ে সরকার দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচিত করার জন্য ইভিএম রেজাল্ট শীট জালিয়াতি করেছে। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দুইবার রেজাল্ট শীট পাল্টানো হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে ব্যাপক অনিয়ম, রেজাল্ট শীটের গরমিল এবং ভোট কারচুপির বিরুদ্ধে আমরা বিগত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ইং তারিখে বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল আদালতে গিয়েছিলাম। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে। পরবর্তীতে ২১ মার্চ ধার্য তারিখে আদালতকে আমরা দুইটি দরখাস্ত দিয়েছিলাম। একটিতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ( ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন) বিধিমালা ২০১৯ এর ২১ ধারা অনুসারে মেয়র পদের এসডি কার্ড, অডিট কার্ড, রক্ষিত ফলাফল ও ভোটার তালিকা বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালের কাস্টোডিতে রাখার জন্য আবেদন করেছিলাম। অন্যটিতে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন (ইলেক্ট্রনিক্স ভোটিং মেশিন) বিধিমালা ২০১৯ এর ১৬ ও ১৭ ধারা অনুসারে মেয়র পদের ৭৩৩ টি কেন্দ্র ভিত্তিক ইভিএম এর কন্ট্রোল ইউনিট হতে প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্ট কর্তৃক স্বাক্ষরযুক্ত মুদ্রণকৃত ফলাফলের মূল কপি বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইবুনাল কাস্টোডিতে রাখার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু ছয় মাস অতিক্রম হওয়ার পরও তারা আদালতে কোন জবাব দাখিল করতে পারে নাই। উক্ত দু’টি দরখাস্তের উপর আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবীরা শুনানি করেছেন। আমরা আদালতের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছি, আশারাখি আদালত ন্যায় বিচারের স্বার্থে আদেশ দিবেন।

তিনি আজ ৯ নভেম্বর, মঙ্গলবার, দুপুরে বিজ্ঞ নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে চসিক নির্বাচনী মামলার শুনানি শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

ডা.শাহাদাত আরও বলেন, দেশের মানুষের মনে শান্তি নেই, অস্থিরতা বিরাজ করছে।দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতিতের ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই। যার প্রধান কারণ কেরোসিন ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি। কেরোসিন ও ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন সেক্টর গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করেছে এবং উৎপাদন ও পরিবহনে এর প্রভাব পড়েছে। যার প্রেক্ষিতে সাধারণ জনগণের দুর্দশার শিকার হতে হচ্ছে। সরকার জনগণের কথা ভাবছে না। তারা তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহবায়ক আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এনামুল হক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম নেতা এডভোকেট সেকেন্দার বাদশা, এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এডভোকেট আরশাদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন, এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, এডভোকেট এম দেলোয়ার হোসেন, এডভোকেট মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারুফ, অ্যাডভোকেট ইকবাল হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে চট্টগ্রামে বিআরটিএ’র বিশেষ অভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

‘মানবিক করিডোর’ নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: প্রেস সচিব

সিরিয়ার ঋণ শোধ করবে সৌদি-কাতার

ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

প্রথম চুয়েটের রিফাত আল ইব্রাহিম ⦿কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন ভবিষ্যৎ স্থপতি

ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে আগ বাড়িয়ে মধ্যস্থতা করতে চায় না বাংলাদেশঃ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সন্ধ্যায় ওসমানী বিমানবন্দর থেকে প্রথমবারের মতো উড়াল দেবে কার্গো ফ্লাইট

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print