ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

সীতাকুণ্ডে শিপ ব্রেকিং শিল্পে অনির্দ্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে

ফাইল ছবি।

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

ফাইল ছবি।

কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনের হয়রানি বন্ধের দাবী জানিয়ে চট্টগ্রামের জাহাজ ভাঙ্গার কারখানা (শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে জাহাজ ভাঙা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন। (বিএসবিআরএ)।

আজ বুধবার (১০ নভেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সীতাকুণ্ড উপকূল জুড়ে অবস্থিত শতাধিক শিপ ইয়ার্ড বন্ধ হয়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছে এ সেক্টরে জড়িত অন্তত ২০ হাজার শ্রমিক।

জানাগেছে, ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ এনে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার চারটি জাহাজ ভাঙা কারখানায় অভিযান চালিয়ে নথিপত্র ও কম্পিউটার জব্দ করে ভ্যাট কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভাটিয়ারি স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড, প্রিমিয়ার ট্রেড করপোরেশন, মাহিনুর শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও এসএন করপোরেশন নামের চারটি জাহাজ ভাঙ্গা কারখানায় অভিযান চালায় ভ্যাট কমিশনের তিনটি দল।

বিএসবিআরএ সহকারী সচিব নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘কোন প্রকার নোটিশ না দিয়ে গতকাল (মঙ্গলবার) অভিযানে আসে ভ্যাট কমিশনের গঠিত তিনটি দল। তারা আমাদের চারটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় ও কারখানায় অভিযান চালায়। এসময় তারা নথিপত্র ও কম্পিউটার জব্দ করে নিয়ে যান।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনার প্রতিবাদে সব কটি জাহাজভাঙা কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ফলে আজ বুধবার সকাল থেকে আমাদের সকল কারখানায় জাহাজ কাটিং, স্ক্র্যাপ সরবরাহসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার হাসান মুহম্মদ তারেক রিকাবদার গণমাধ্যমেক বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠানে ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে কিংবা দিতে পারে, ওই প্রতিষ্ঠানে তাঁরা নিয়মিত অভিযান চালান। তাঁদের কাছে তথ্য ছিল যে শিপ ব্রেকিং কারখানার ওই কারখানাগুলো ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে কিংবা দিতে পারে। সে জন্য তাঁরা কারখানাগুলোয় অভিযান চালিয়ে নথিপত্র জব্দ করেছেন। এখন জব্দ করা কাগজপত্র যাচাই–বাছাই করে দেখবেন তাঁরা। যত কাগজপত্র নিয়েছেন, সেগুলো যাচাই করতে অনেক সময় লাগবে।

শিপ ব্রেকিং প্রতিষ্ঠান আরেফিন এন্টারপ্রাইজের মালিক কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, শিপ ব্রেকিং ব্যবসার ইতিহাতে গত ৪০ বছর এ ধরনের অভিযান দেখেননি। কখনো তাঁদের কাগজপত্র জব্দ করতে হয়নি। কারণ, জাহাজভাঙা কারখানাগুলো ভ্যাট কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ভ্যাট অগ্রিম পরিশোধ করেন। ফলে তাঁদের ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবু যদি ভ্যাট কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়, তাহলে তাঁরা নোটিশ দিয়ে জানাতে পারতেন। কারখানা কর্তৃপক্ষ তাঁদের সহযোগিতা করত। তিনি আরও বলেন, ভ্যাট কর্মকর্তারা তাঁদের হেনস্তা করেছেন। এতে ব্যবসায়িরা ক্ষুব্ধ।

এদিকে সীতাকুণ্ডের ছলিমপুর থেকে কুমিরা পর্যন্ত উপকূল জুড়ে অবস্থিত ১৫০টিরও বেশি জাহাজ ভাঙা কারখানার মধ্যে সচল কারখানার সংখ্যা ৬০টি ইয়ার্ড। এসব ইয়ার্ডে শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীসহ অন্তত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ ধর্মঘটের কারণে বেকার হয়ে পড়েছে।

সর্বশেষ

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে চট্টগ্রামে বিআরটিএ’র বিশেষ অভিযান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি

‘মানবিক করিডোর’ নিয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে আলোচনা হয়নি: প্রেস সচিব

সিরিয়ার ঋণ শোধ করবে সৌদি-কাতার

ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

প্রথম চুয়েটের রিফাত আল ইব্রাহিম ⦿কেএসআরএম অ্যাওয়ার্ড পেলেন তিন ভবিষ্যৎ স্থপতি

ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে আগ বাড়িয়ে মধ্যস্থতা করতে চায় না বাংলাদেশঃ পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সন্ধ্যায় ওসমানী বিমানবন্দর থেকে প্রথমবারের মতো উড়াল দেবে কার্গো ফ্লাইট

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print