ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

এশিয়া কাপ : বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিল পাকিস্তান

.

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

.

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে যে আত্মবিশ্বাস ও স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ মাঠে নেমেছিল তা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। ব্যাটিং ও বোলিং উভয় বিভাগে নাস্তানাবুদ হয়েছে পাকিস্তানের কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরেছে সাকিব আল হাসানরা। ৭ উইকেটের জয় পাকিস্তানের।

সব উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের করা ১৯৩ রানের জবাবে ৩৯.৩ ওভারে পাকিস্তান ৩ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়।

ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন পাকিস্তানের তিন পেসারের আগুনে পুড়েছিল। সেই পেস আগুনে ডুবেছে সাকিবরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে চার পেসার নামিয়েছিল পাকিস্তান। শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ আর হারিস রউফের সঙ্গে ফাহিম আশরাফ যোগ হয়েছিল এ ম্যাচে। আর তাতেই বাংলাদেশ ১৯৩ রানে অল আউট। ৩৮.৪ খেলার সুযোগ পেয়েছে টাইগার ব্যাটাররা।

টস জয়ের পর লাহোরের ব্যাটিং উইকেট বড় রান সংগ্রহের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তবে তাদের সে স্বপ্ন পাকিস্তানের তিন মূল পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও হারিস রউফ এক ফুৎকারে নিভিয়ে দেন। ৪৭ রান স্কোরবোর্ডে জমা হতেই তিন পেসারই উইকেট শিকারের উৎসব করেন। বাংলাদেশ হারায় চার উইকেট। নাসিম শাহ নেন জোড়া উইকেট।

তিন পেসারের তাণ্ডবে ফিরে যান মেহেদী হাসান মিরাজ (০), লিটন দাস (১৬), মোহাম্মদ নাইম (২০) ও তাওহীদ হৃদয় (২)। পঞ্চম উইকেট দুই অভিজ্ঞ সেনা অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশকে কিছুটা আশা দেখান। দুইজনে মিলে ঠিক শতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। এ ম্যাচের জন্য দলে যোগ দেওয়া ফাহিম আশরাফ এ জুটি বিছিন্ন করেন। ৫৩ রানে ফখর জামানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। তা বিদায়ের পর খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বাংলাদেশের ইনিংস। মাত্র ৪৬ রানে বাংলাদেশের শেষ ৬ উইকেটের পতন হয়।

সাকিবের মতো মুশফিকও হাপ সেঞ্চুরি করেন। ৬৪ রান করেন তিনি। অন্যরা এসেছেন আর ফিরেছেন। আফিফ হোসেন (১২), তাসকিন আহমেদ (০), শরীফুল ইসলাম (১) ও হাসান মাহমুদ (১) রান করেন।

হারিস রউফ হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন। পর পর দুই বলে মুশফিকুর রহিম ও তাসকিনকে আউট করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেট শিকার তার। নাসিম শাহ নিয়েছেন ৩ উইকেট। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও ফাহিম আশরাফ একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

জবাবে পাকিস্তানকে খুব একটা দুঃশ্চিন্তা করতে হয়নি। ফখর জামান ও ইমাম উল হক ভালো সূচনা এনে দেন। তবে ব্যর্থ হয়েছেন অধিনায়ক বাবর আজম। মাত্র ১৭ রানে আউট হন তিনি। তার আগে ফখর জামান ২০ রানে শরীফুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হন। তবে ওপনোর ইমাম উল হক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ানের চমৎকার পার্টনারশিপ দলকে সহজ জয়ের দিকে নিয়ে যায়। ইমাম অবশ্য সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত যেতে পারেননি। ৭৮ রানে আউট হন। ৮৪ বলে পাঁচ বাউন্ডারির পাশাপাশি চার ওভার বাউন্ডারিতে তিনি ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন। মোহাম্মদ রিজওয়ানও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। ৬৩ রানে অপরাজিত তিনি।

সর্বশেষ

চট্টগ্রামের শীর্ষ ছিনতাইকারী শাফায়েত গ্রেপ্তার

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

আগ্রাবাদ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহত

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

সীতাকুণ্ডে শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো জাহাজ সেন্ট্রাল স্টার

সীতাকুণ্ডে গুদামের চালা ভেঙে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print