ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

এসে গেল রঙিন এক্স-রে, রোগ নির্ণয় হবে আরও সহজে

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

চিকিৎসা বিজ্ঞানে রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে ত্রিমাত্রিক (থ্রি-ডি), রঙিন এক্স-রে উদ্ভাবন করলেন বিজ্ঞানীরা।

২০ বছরের গবেষণায় এল এই সাফল্য। সার্ন ইউরোপিয়ান অর্গানাইজেশন ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চের গবেষকদের কৃতিত্ব এটাও যে, তারা সেই পদ্ধতিকে আরও উন্নত করতে পেরেছেন।

মূলত কণা-সন্ধানী প্রযুক্তিকে (পার্টিকল ট্র্যাকিং টেকনোলজি) কাজে লাগিয়ে এই আবিষ্কার করেছেন সার্ন’র বিজ্ঞানীরা।

গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কারের ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ অংশের ছবি আরও স্পষ্ট ও নির্ভুল হবে। কারণ, এই পদ্ধতিতে শরীরের কোষ, কলা, অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া সম্ভব হবে।

গবেষকরা বলছেন, সাদা-কালো ছবি ওঠায় অনেক সময় শরীরের ভেতরের প্রদাহ, রক্তজমা বা অস্বাভাবিক কোনো রং আমাদের চোখে ধরা পড়ত না। রঙিন এক্স-রে প্লেট হলে রোগ নির্ণয়ে অনেকটাই সুবিধা হবে।

মেডিপিক্স থ্রি-এর বিশেষ প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েই এই রঙিন এক্স-রে’র দুয়ার খুলে দিলেন বিজ্ঞানীরা। বস্তু কণার ফোটন, ইলেক্ট্রনের সংখ্যা নির্ণয়ের সঙ্গে তাদের শক্তির পরিমাপও করতে পারে এই প্রযুক্তি।

সেই শক্তির তারতম্যের ভিত্তিতেই বানানো হয়েছে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম। তাতে আলোর বিভিন্ন কম্পাঙ্কের কৃত্রিম রঙের মিশেল ঘটানো হয়েছে। এভাবেই ফোটনের শক্তিকে অনুধাবন করে এই প্রযুক্তিকে সামনে আনলেন সার্ন’র বিজ্ঞানীরা।

দৃশ্যমান আলোর সঙ্গে এক্স-রে’র তফাত আছে। একটি নেগেটিভ ইলেকট্রন অপর নেগেটিভ ইলেকট্রনের সঙ্গে ঘর্ষণের ফলে উচ্চশক্তি সম্পন্ন কক্ষে প্রবেশ করে। খানিক পরে তা ফের নিজের কক্ষে ফিরে এলে অতিরিক্ত শক্তি ত্যাগ করতে থাকে, এতেই জন্ম নেয় ‘এক্স-রে’।

এতে এখন রঙিন পিক্সেল ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে, হাড়ের গায়ে আলো লেগে ফিরে আসার যে প্রতিফলন এতকাল সাদা-কালো দেখাত, এবার তাকেই রাঙিয়ে তোলা যাবে।

সার্ন’র গবেষকদলের প্রধান ফিল বাটলারের দাবি, আর কোনো যন্ত্রই এত নির্ভুল ছবি তুলবে না। অধরা হিগস-বোসন কণার সন্ধান দেয়া সার্ন’র বিখ্যাত লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারের মাধ্যমেই এই আবিষ্কার করেছেন তারা।

বিশেষ রঙিন এক্স-রে দেহের অস্থি, তরুণাস্থি ও পেশীগুলিকে আরও স্পষ্ট করে তুলে আঘাতের সঠিক উৎপাদনস্থল ও তার অবস্থা নির্ণয়ে সক্ষম হবে। শুধু তা-ই নয়, এর মাধ্যমে টিউমারের উপস্থিতিও সনাক্ত করা যাবে।

সার্ন’র এই প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাচ্ছে নিউজিল্যান্ডের এক বহুজাতিক কোম্পানি। তাদের এই কাজে সাহায্য করছে ইউনিভার্সিটি অব ওটাগো এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবেরি।

সর্বশেষ

চট্টগ্রামের শীর্ষ ছিনতাইকারী শাফায়েত গ্রেপ্তার

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজি: যুবদল নেতা মঈনসহ গ্রেপ্তার ৭

আগ্রাবাদ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহত

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

সীতাকুণ্ডে শ্বশুর বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে ও রগ কেটে হত্যা

মালয়েশিয়া থেকে ২৬ হাজার টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো জাহাজ সেন্ট্রাল স্টার

সীতাকুণ্ডে গুদামের চালা ভেঙে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print