ফন্ট সাইজ

শেয়ার করুন

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print

হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা নির্যাতন অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে

সংবাদটি পড়তে সময় লাগবে মিনিট

pic-hundo-jute-3
.

সম্প্রতি ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নাসিরনগরে নবীনগর, হবিগঞ্জ এবং সিলেট ছাতকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন মন্দিরে উপসনালয়ে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা অতীতের সকল রের্কড ভঙ্গ করেছে বলে দাবী করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতারা।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ বলেন-

এ হামলার পিছনে নব্য সন্ত্রাসবাদের যোগসাজস থাকতে পারে। তাই ধর্ম অবমাননাকারীদের কঠিন শাস্তির আওতায় না আনা হলে এই ঘৃণিত সন্ত্রাসীদের দমন যেমন কঠিন হবে তেমনি নষ্ট হবে আমাদের দেশের আবহমান কালের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য। যেমনটি হচ্ছে এখন ব্রাহ্মনবাড়িয়ার নাসিরনগরে।

তারা বলেন, কাবা শরীফের উপর শিবমূর্তির ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের বিষয়টি একটি বিচ্ছিন্ন কোন অপরাধ বলে মনে হয়না।

এমন উসকানিতে সহজ-সরল ধর্মপ্রান মুসলমানরা বিক্ষোভ করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মন্দির, ঘর বাড়িতে হামলা করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পেছনে কারা রয়েছে তা বের করা দরকার। মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকারীর যেমন কঠিন শাস্তি চাই, তেমনি শাস্তি চাই সে সব দুষ্কৃতিকারীদের। যারা বারবার তথ্য প্রযুক্তিকে মন্দ কাজে ব্যবহার দেশের শান্তি শৃংখলা বিনষ্ট করছে ।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কঠোর সমালোচনা করে তারা আরো বলেন, আমরা মনে করি সরকারের উর্দ্ধতন মহল এসব উসকানিমূলক কাজে জড়িত, তা না হলে সরকার কেন এসব অপরাধীদের আড়ালের চেষ্টা করবেন?

বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রামের আহবায়ক রিপম দাশ শেখর বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা এদেশে বেশী পরিরক্ষিত হচ্ছে ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর থেকেই, তবে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে বর্তমান হামলা, লুটপাট,দখল, নির্যাতন, হত্যা, ভাংচুর এবং নারীদের শ্লীতাহানির ঘটনা।

যে ধরনের হামলা নির্যাতন ইতোপূর্বে অন্য দেশে দেখা গেলেও বাংলাদেশে হয়তো কল্পনাও করা হয়নি। আর নির্যাতন, হত্যা, ভাংচুর এবং নারীদের শ্লীতাহানি ও জবর দখলের ধখল সহ্য করতে না পেরে হিন্দু সম্প্রদায় জনগোষ্টি অন্যদেশে পালিয়ে যাচ্ছেন বলে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন। এছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়া,কর্ণফুলি এবং টেরিবাজারের হিন্দু বাড়ীতে হামলা,ভাংচুর-প্রতিমা পোড়ানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান হিন্দুু জোট।

এ পরিস্থিতিতে দেশের সর্বস্তরের জনতার নিকট অহিংস শান্তির বাণি পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম জেলা কমিটি ৪ নভেম্বর শুক্রবার বিকেল ৪টায় জে.এম. সেন হলে হিন্দু সম্মেলন করে এই ঘৃনিত হামলার প্রতিবাদে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন। হিন্দু এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন-সিটি মেয়র আ জ, ম.নাছির উদ্দিন, ভারতীয় জনতা পাটির মূখপাত্র-ডঃ বিজয় শংকর শাস্ত্রি,নির্বাহী সদস্য-অরুণ হালদার, হিন্দু মহাজোটের প্রেসিডেন্ট-ব্রিগেডিয়ার জেনালের জয়ন্ত কুমার সেন,মহাসচিব-এড গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তব্য রাখেন-বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট চট্টগ্রাম জেলা কমিটির যুগ্ন আহবায়ক-অধ্যাপক সুজিত দাশ, ফেনী জেলার সভাপতিঅজিত বরন দাশ, জেলা সদস্য শ্যামল দাশ,দীপন দাশ,রাজেশ চক্রবতী প্রমুখ।

সর্বশেষ

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৩০ সন্ত্রাসীর প্রবেশ-অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা

ষড়যন্ত্র করে বিএনপিকে দমন করা যাবে না: তারেক রহমান

বোয়ালখালীতে অস্ত্রসহ আপন দুই ভাই গ্রেফতার

ফটিকছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

দক্ষিণ হালিশহর বিএনপি নেতা সাইফুর রহমান এর বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ

শ্বশুর বাড়ীর অত্যাচার সইতে না পেরে সন্তান নিয়ে গৃহবধূর খালে ঝাপ,শিশুর মৃত্যু

Facebook
X
Skype
WhatsApp
OK
Digg
LinkedIn
Pinterest
Email
Print